নিজস্ব প্রতিবেদক।।রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের নিকটবর্তী স্থানে খননকাজ পরিচালনাকে কেন্দ্র করে জনমনে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়,একটি উন্নয়ন প্রকল্পের পাশে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে খননকাজ চলছে।এ নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রকল্পের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
ছবিতে একটি আবাসন প্রকল্পের নিকটবর্তী এলাকায় এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কাটার দৃশ্য দেখা যায়।পাশাপাশি একটি উঁচু সড়ক বা অবকাঠামোগত স্থাপনার নিচের এলাকাতেও মাটি সরানোর কার্যক্রম দৃশ্যমান।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য,খননকাজের ফলে ধুলাবালি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ভারী যন্ত্রপাতির চলাচলে কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা খননকাজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। খননকাজটি খাল পুনঃখনন,পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন, ড্রেনেজ সংস্কার কিংবা অন্য কোনো সরকারি প্রকল্পের অংশ কি না,সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নগর পরিকল্পনা ও অবকাঠামো বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো স্থাপনার পাশে বড় ধরনের খননকাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৌশলগত মূল্যায়ন,নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা করা জরুরি।এসব মানদণ্ড অনুসরণ করা হলে অবকাঠামোর ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন,অতীতে নির্মিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর আশপাশে পরিচালিত কিছু কার্যক্রম প্রকল্পের স্থায়িত্বকে প্রভাবিত করতে পারে।তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো যাচাইকৃত তথ্য বা সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে,উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা এবং জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।একই সঙ্গে যেকোনো অভিযোগ বা উদ্বেগের ক্ষেত্রে তথ্যভিত্তিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা জনআস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
Discover more from jugantorbarta.com
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
