
নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশালে ভাঙারি ব্যবসায়ী আবুল কাসেম খাঁনকে চাঁদা না দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে ‘ক্রসফায়ার’ নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবার। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করা হয়।পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ২০১১ সাল পর্যন্ত আবুল কাসেম খাঁনের বিরুদ্ধে সাতটি পেন্ডিং মামলা দেখিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো হয়। এক পর্যায়ে তাঁকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ (দেখানো গ্রেপ্তার) দেখিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়। এরপর মামলায় চার্জশিট দেওয়ার হুমকি ও নতুন মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত তাঁর কাছ থেকে মোট প্রায় অর্ধকোটি টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ তালুকদার বাজারের একটি মসজিদের ইমাম সাহেবের কক্ষ থেকে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। পরে ‘ক্রসফায়ার’-এর ঘটনা সাজিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে পরিবারের দাবি।এ ঘটনায় তৎকালীন এক উপপরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছে পরিবার। সে সময় বরিশালের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মো. মাহফুজুর রহমান এবং ডিবির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সহকারী কমিশনার রুনা লায়লা।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কেউ সাড়া দেননি।পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তাদের নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং একপর্যায়ে বরিশালে বসবাস করাও তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি করছে।এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Discover more from jugantorbarta.com
Subscribe to get the latest posts sent to your email.