নিজস্ব প্রতিবেদক।।সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে জড়িয়ে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর ছবি অপপ্রচার করছে।বিশেষ করে ফেসবুকের বিভিন্ন ফেক আইডি ও নামসর্বস্ব পেজ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, প্রধানমন্ত্রী ভারত,আমেরিকা,চীন ও পাকিস্তানের মতো প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর কাছে “নতিস্বীকার” করেছেন। এই ধরনের প্রচারণাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং রাষ্ট্রবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।
১. ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা ও ‘ডিপ স্টেট’ তত্ত্ব
তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার এই প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের।বিশ্লেষকদের মতে, এর পেছনে তথাকথিত “‘ডিপ স্টেট'”বা পর্দার আড়ালের অপশক্তির হাত থাকতে পারে।জামায়াত-শিবির ও নির্দিষ্ট কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এডিট করা ছবি ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। এটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ (Psychological Warfare),যার লক্ষ্য হলো বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।
২. কূটনৈতিক বাস্তবতা বনাম ফেসবুকের গুজব
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও শক্তিশালী বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করছে। যেখানে:
ভারত:-দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সম্পর্ক অটুট রাখা।
আমেরিকা ও চীন:-উন্নয়ন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা।
পাকিস্তান:-আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রাখা।
ফেসবুকে প্রচারিত “হাত-পা বাঁধা অবস্থা” বা “নতিস্বীকারের” ছবিগুলো বাস্তবতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। প্রকৃতপক্ষে,বাংলাদেশ কোনো রাষ্ট্রের একক আধিপত্যের কাছে মাথা নত না করে নিজের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
৩. অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র ও জামায়াত-এনসিপি ফ্যাক্টর
অভিযোগ উঠেছে যে,জামায়াত-এনসিপি তাদের সমমনা অপশক্তিগুলো সরকারকে অস্থিতিশীল করতে রাষ্ট্রবিরোধী প্রোপাগান্ডাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।তারা সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে এই গোষ্ঠীগুলো এখন মাঠের রাজনীতির বদলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে “ফেক নিউজ” ছড়িয়ে গুজব ছড়ানোর কৌশল নিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ:
> একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে দৃঢ়তার সাথে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন,তখন তাকে লক্ষ্য করে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার কেবল রাজনৈতিক দেউলিযাপনার বহিঃপ্রকাশ।এই অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সাধারণ জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
>উপসংহার:
গুজবে কান না দিয়ে সরকারি সূত্র ও নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর আস্থা রাখাই এই মুহূর্তের প্রধান নাগরিক দায়িত্ব।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপসহীন এবং যেকোনো ধরনের দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিতে বদ্ধপরিকর।
Discover more from jugantorbarta.com
Subscribe to get the latest posts sent to your email.