নিজস্ব প্রতিবেদক।।ভোলা সদর উপজেলায় কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ এবং ব্যবসায়ী মোঃ মামুন মিয়াজীকে আটকের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।অনেকেই এ ঘটনাকে একপাক্ষিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চরচটকিমারা এলাকার তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালায়।এ সময় একটি ট্রলার থেকে প্রায় ৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয় এবং মামুন মিয়াজীকে আটক করা হয়।
তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,মামুন মিয়াজী দীর্ঘদিন ধরে শ্রীপুর বাজারে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।তিনি বৈধভাবে ড্রেজার ও বাল্কহেডে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও মুদি মালামাল সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।তার মাধ্যমে প্রায় ৪০টি নৌযানে নিয়মিত সরবরাহ ব্যবস্থা চালু রয়েছে,যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এলাকাবাসীর একটি বড় অংশের দাবি, “মামুন মিয়াজীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হতে পারে। বৈধ ব্যবসাকে অবৈধ হিসেবে উপস্থাপন করে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।” তারা আরও বলেন,নদীপথে চলাচলকারী ড্রেজার ও বাল্কহেডে জ্বালানি সরবরাহ একটি স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম, যা প্রশাসনের অনুমোদন সাপেক্ষেই হয়ে থাকে।
অনেকে অভিযোগ করেন,প্রকৃত অবৈধ জ্বালানি সিন্ডিকেটকে আড়াল করতে একজন পরিচিত ব্যবসায়ীকে বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে।তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন।
মামুন মিয়াজীর পরিবারের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে,তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তিনি আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।তারা দ্রুত তার মুক্তি ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করেছেন।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত জ্বালানি তেল ও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।তবে স্থানীয়রা বলছেন,প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তই একমাত্র পথ।
Discover more from jugantorbarta.com
Subscribe to get the latest posts sent to your email.