নিজস্ব প্রতিবেদক।।উত্তরবঙ্গের প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকার দীর্ঘদিনের তীব্র যানজট নিরসনে নির্মাণ করা হচ্ছে একটি ফ্লাইওভার।তবে প্রকল্পের মাঝপথে ফ্লাইওভারের নকশায় পরিবর্তন আনার ফলে এর কার্যকারিতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী,এলেঙ্গার বালুর ব্রিজ থেকে ভূঞাপুর লিঙ্ক রোড পর্যন্ত ফ্লাইওভারটি নির্মাণের কথা ছিল। কিন্তু সংশোধিত নকশা অনুযায়ী এখন ফ্লাইওভারটি নির্মিত হবে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকার নাভানা সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে ময়মনসিংহ লিঙ্ক রোড পর্যন্ত।ফলে ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ও পরিধি আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
মহাসড়ক দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও স্থানীয় অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মতে,নতুন নকশায় ফ্লাইওভারটি নির্মিত হলে যানজট নিরসনে এর প্রভাব খুব বেশি স্থায়ী হবে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী জানান,নতুন নকশা অনুযায়ী ফ্লাইওভারটি চালু হলে শুরুতে এলেঙ্গা এলাকায় যানজট কিছুটা কমতে পারে।তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও নকশাগত ত্রুটির কারণে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই এলাকাটিতে আবারও আগের মতো তীব্র যানজট ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে,এলেঙ্গা বালুর ব্রিজ থেকে ভূঞাপুর লিঙ্ক রোড পর্যন্ত ফ্লাইওভারটি বিস্তৃত না করে এর দৈর্ঘ্য কমিয়ে দেওয়ায় যানজটের মূল উৎসগুলো পুরোপুরি দূর হবে না। ভবিষ্যতে যানবাহনের চাপ বাড়লে এই সীমিত পরিসরের ফ্লাইওভারটি সেই চাপ সামলাতে ব্যর্থ হতে পারে।ফলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই অবকাঠামোটি প্রত্যাশিত সুফল দিতে না পারার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে এলেঙ্গা এলাকার সাধারণ যাত্রীদের শঙ্কা,দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবে ভবিষ্যতে আবারও তাদের সেই চিরচেনা যানজটের ভোগান্তিতেই পড়তে হতে পারে।
Discover more from jugantorbarta.com
Subscribe to get the latest posts sent to your email.