নিজস্ব প্রতিবেদক।।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনকে কেন্দ্র করে একটি দীর্ঘ “বিদেশি ষড়যন্ত্রের রূপরেখা” ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।এতে যুক্তরাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব,বিভিন্ন রাজনৈতিক দল,গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিদের জড়িত থাকার দাবি করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা সরকারি যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পিতভাবে ধাপে ধাপে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে— মার্কিন কূটনীতিক ডোনাল্ড লুর বাংলাদেশ সফর,বিভিন্ন রাজনৈতিক বৈঠক,ছাত্র আন্দোলন এবং পরবর্তী সহিংস ঘটনাগুলো একই পরিকল্পনার অংশ ছিল।
পোস্টটিতে আরও অভিযোগ করা হয় যে,বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে ছাত্র আন্দোলন,গণমাধ্যম,সুশীল সমাজ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কিছু অংশকে প্রভাবিত করা হয়েছে এবং আন্দোলনের সময় সহিংসতা উসকে দিতে অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছিল।
তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটি অংশ বলছেন,এ ধরনের দাবিগুলো এখন পর্যন্ত প্রমাণহীন এবং অনেক ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের সঙ্গে মিল রয়েছে।তারা মনে করেন,বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় নানা ধরনের ব্যাখ্যা ও প্রচারণা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে সরকার,যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এমন অভিযোগ স্বীকার বা সমর্থনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলও প্রকাশ্যে এ ধরনের পরিকল্পনার অস্তিত্ব অস্বীকার করে আসছে।
বিশ্লেষকদের মতে,রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় যাচাইবিহীন তথ্য দ্রুত জনমত প্রভাবিত করতে পারে।োতাই নাগরিকদের তথ্য শেয়ার করার আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
Discover more from jugantorbarta.com
Subscribe to get the latest posts sent to your email.