নিজস্ব প্রতিবেদক।।ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।তথ্য অনুযায়ী,২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অর্থ বিভিন্ন উৎস থেকে ওসির মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে পাঠানো হয় এবং পরে অনলাইন জুয়াতে খরচ করা হয়েছে।
হাতের তথ্য অনুযায়ী,এই টাকা সাতটি বিকাশ ও নগদ একাউন্ট থেকে এসেছে।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হলো কনস্টেবল সাদ্দামের মোবাইল নম্বর থেকে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬২৯ টাকা, লন্ড্রি পিকআপ অ্যান্ড ড্রপ নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত নম্বর থেকে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা এবং মিজানুর নামের ব্যক্তির নম্বর থেকে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ১২০ টাকা।
ওসি ইমাউল হক অভিযোগকে অস্বীকার করে বলেছেন,তার মোবাইলটি হ্যাক করা হয়েছে এবং অনলাইন জুয়ার সাথে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।তিনি দাবি করেছেন,কোনো ধরনের অনলাইন লেনদেন তার জ্ঞাতিতে হয়নি।
অন্যদিকে তদন্তকারীরা মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেন ও API লগের মাধ্যমে ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা বের করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি দেশের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি চরম উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
![]()

















































সর্বশেষ সংবাদ :———