নরসিংদী প্রতিনিধি।।নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদীতে ১৫ বছর বয়সী কিশোরী আমেনা বেগমকে হত্যার ঘটনা শোকে দাগ কাটছে।ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় তাকে জোরপূর্বক বাবা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে কিশোরীকে নূরার নেতৃত্বে ৫–৬ জন বখাটে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচারকের দায়িত্ব নেন। অভিযোগ উঠেছে,তিনি অপরাধীদের সঙ্গে আর্থিক রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং ধর্ষিতার বাবা ও পরিবারের ওপর গ্রাম ছাড়ার চাপ সৃষ্টি করেন।
ধর্মীয় ও প্রশাসনিক বাধা উপেক্ষা করে,অপরাধীরা ১৫ দিন পর কিশোরীকে পুনরায় বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এরপর তাকে গণধর্ষণের পর মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর সরিষা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরিবারের অভিযোগ,প্রভাবশালী অপরাধীরা টাকা ও ক্ষমতার বিনিময়ে আইনের চোখ ফাঁকি দিচ্ছে।ফলে ভিকটিম ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ঘটনার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতেই মাধবদী থানায় মৃত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। লনরসিংদীর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন:
আহম্মদ আলী দেওয়ান, মহিষাশুরা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি তার ছেলে ইমরান দেওয়ান,ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব,এবায়দুল্লাহ,মোঃ গাফ্ফার মিয়া।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানায়,ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, নরসিংদীর পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তারা সরজমিনে ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত কাজ তদারকি করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি,উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তৎপর নজরদারি ছাড়া এই ধরনের প্রভাবশালী চক্রের দমন সম্ভব হবে না।তারা দ্রুত বিচারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।
![]()






















































সর্বশেষ সংবাদ :———