নিজস্ব প্রতিবেদক।।দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।এর ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এম এ কাইয়ুমের অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা থাকলো না।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এম এ কাইয়ুমের পক্ষে আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান,আদালতের আদেশের মাধ্যমে তার মক্কেলের নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ পুরোপুরি সুগম হয়েছে।তবে রিটকারী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসাইন লিপু জানান,তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।
ঢাকা-১১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন—বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী এম এ কাইয়ুম,১১ দলীয় ঐক্যের জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম (শাপলা কলি),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ (হাতপাখা) এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ (লাঙ্গল)।
রাজধানীর বাড্ডা,ভাটারা,রামপুরা ও হাতিরঝিল থানার একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন।এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন,নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।
এদিকে,চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর এবং শেরপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এসব আসনের নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে এসব প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আসনের জামায়াত প্রার্থীরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন।পরে হাইকোর্ট প্রার্থিতার বৈধতা ঘোষণা করলে,তার বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা হয়।

















































সর্বশেষ সংবাদ :———